বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
পঞ্চগড় পৌরসভায় সৌরবাতি স্থাপনে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক শিশুকে ধ-র্ষণচেষ্টা: ইমাম বললেন, শয়-তানের ধোঁ-কায় পড়ে এটা করেছি কারাগারে বসেই এসএসসি পরীক্ষা দিল এক শিক্ষার্থী সিজারের তিন দিন পরই এসএসসি পরীক্ষার হলে কুড়িগ্রামের হাওয়া আ.লীগকে সরাতে ১৬ বছর লেগেছে, আপনাদের সরাতে ১৬ দিনও লাগবে না: এটিএম আজহার বুড়িমারী স্থলবন্দরে চার দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ  কুমিল্লা লাকসামে সিনথিয়া আক্তার নামে স্কুলছাএী আত্মহত্যা করেছেন গাইবান্ধায় এসকেএস স্কুল এন্ড কলেজে মাদকবিরোধী সচেতনতায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে সুমন হত্যার প্রতিবা’দে ফুঁস’ছে এলাকাবাসী, খু’নিদের ফাঁ’সির দাবিতে মানববন্ধন ‎ পঞ্চগড়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১০ সদস্য আটক, দেশীয় অস্ত্র ও মাইক্রোবাস জব্দ
কুড়িগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় তিনশ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।

কুড়িগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় তিনশ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক::উজানের ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যায় নদ-নদী অববাহিকার প্রায় ৩০০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন জেলার চরাঞ্চলের কৃষকেরা।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অসময়ে বন্যার পানিতে ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকেরা হঠাৎ করেই বিপাকে পড়েছেন। অনেক কৃষক পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল তুলতে বাধ্য হচ্ছেন। কোথাও কোথাও পানি নামার পর জমিতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষতির চিত্র। কেউ কেউ নষ্ট ফসল তুলে জমি পরিষ্কার করছেন।

জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে প্রবল ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে তিস্তা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার অববাহিকায় বন্যা দেখা দেয়। এতে নীচু এলাকার হাজার হাজার একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়। বাদাম, পটল, পাট, তিল, কাউন, মরিচ ও আউশ ধানসহ নানান মৌসুমি ফসল পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে যায়।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলার ১৬টি নদ-নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে ফসলের আবাদ হয়েছিল। তার মধ্যে অন্তত ৩০০ হেক্টর জমির ফসল ইতোমধ্যে নষ্ট হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

জেলার সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের শুলকুরবাজার এলাকার কৃষক এরশাদ আলী বলেন, ‘নদীর পানি হঠাৎ বাড়ায় আমার ১ বিঘা জমির পটল গাছ পানিতে ডুবে মরে গেছে। পানি না উঠলে এই পটল অনেক দামে বিক্রি করতে পারতাম। এখন সব শেষ।’

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. মো. মামুনুর রহমান বলেন, নদীতীরবর্তী এলাকায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসেব এখনও করা হয়নি। দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com